Saturday, October 5, 2013
0 comments

About DDN24.com

6:07 AM

 DDN24.com


সূচনা: রাষ্ট্র ও মানুষের জন্যই গণমাধ্যম। আর গণমাধ্যই পারে দেশের বিজ্ঞান-প্রযুক্তি, শিক্ষা-সংস্কৃতি ও অর্থনীতির আমূল পরিবর্তন এনে দিতে। এ ক্ষেত্রে তথ্যের অবাধপ্রকাশই হতে পারে সমাজ গড়ার প্রধান হাতিয়ার। আমাদের কার্যক্রম যেহেতু বাংলাদেশের মানুষ ও তাদের সংস্কৃতি নিয়ে, সেহেতু মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় গড়া আমাদের সংবিধানের মূল চার নীতির আলোকেই পরিচালিত হবে এই সংস্থা।

নাম: ডিডিএন টুয়েন্টি ফোর ডট কম।

নামের অর্থ: শব্দসংক্ষেপ ‘ডিডিএন’। ডিডি এর পূর্নাঙ্গরূপÑডু অর ডাই। যার বাংলা অর্থ (বাঁচার লড়াই বা বাঁচতে হলে লড়তে হবে বা জীবন বাজি রেখে লড়াই করা ইত্যাদি। আর এন এর পূর্ণাঙ্গরূপÑনিউজ। বাংলা অর্থÑসংবাদ, খবর, বার্তা ইত্যাদি।

বিষয়: ডু অর ডাই নিউজ ডট কম একটি অনলাইন ভিত্তিক তথ্যসেবামূলক সংগঠন, সংস্থা। সংবিধান (সংবিধানের মূল চার নীতি), দেশের প্রচলিত আইন, জাতীয় অনলাইন সংবাদমাধ্যম নীতিমালা অনুসরণ করবে এই সংস্থা। জাতীয় প্রেস কাউন্সিল, জাতীয় প্রেস ইনস্টিটিউটসহ বিভিন্ন সংস্থার নীতিমালা ও নির্দেশনা অনুযায়ী পরিচালিত হবে এটি।

কর্মক্ষেত্র ও পরিধি: অনলাইনভিত্তিক এই তথ্যমাধ্যমটির (সংগঠন) কাজের ক্ষেত্র প্রধানত, বাংলাদেশ ও প্রতিবেশি বাংলাভাষাভাষী অঞ্চল। এ অঞ্চলের মানুষ, মানুষের সামাজিক ও ধর্মীয় ইতিহাস, ভাষা, আচার, শিক্ষা, অর্থনীতি, রাজনীতি ইত্যাদি হবে উপজীব্য বিষয়। সামাজিত বিভিন্ন সমস্যার উৎপত্তি বিশ্লেণপূর্বক এর সমাধানের পথ তৈরি করা হবে এই মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ কাজ। প্রধানত দুটি ভাষায় (বাংলা ও ইংরেজি) প্রকাশিত (ওয়েবপোর্টাল) হবে এটি। ধীরে ধীরে এর ব্যাপ্তি ও বিস্তৃতি লাভ করবে। বিশেষ করে বাংলাদেশসহ প্রতিবেশি বাংলাভাষাভাষি অঞ্চলের (পশ্চিম বাংলা, আসাম, মিজোরাম, উড়িষ্যা, বিহার ইত্যাদি) মানুষের আর্থসামাজিক, মানবিক উন্নয়ন বিষয়ে প্রাধান্য থাকবে। এরপর সংস্থার কর্মকাণ্ড আরো প্রসারিত হলে বহির্বিশ্বের  সুবিধাবঞ্চিত প্রান্তিক জনগণের নানা সমস্যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হিসাবে দায়িত্বপারন কবরে এটি।

সেবার পরিধি: তথ্যসেবামূলক সংগঠন হিসাবে ডিডিএন এর একটি রাষ্ট্রীয় দায়বদ্ধতা থাকবে। দেশের মানুষের ভাষা-শিক্ষা-সংস্কৃতি, পরিবেশ ও জলবায়ু অর্থনীতি, রাজনীতি, ¯^াস্থ্য, কর্মসংস্থান, বিনোদন ইত্যাদি বিষয়গুলিকে বিশেষ প্রাধান্য দিয়ে কর্মযজ্ঞ পরিচালিত হবে। এ ক্ষেত্রে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক যোগাযোগ মাধ্যম হিসাবে রাষ্ট্র তথা সরকারকে প্রত্যক্ষ সহযোগিতা করবে এটি। রাষ্ট্রের গঠনমূলক সমালোচনা করে কোনো বিশেষ সমস্যার সমাধান দিতে পারবে। স্পর্শকারত বিষয়ে রাষ্ট্রীয় ¯^ার্থে গোপনীয়তা রক্ষা করা হবে। এই সংগঠন এমন কোনো কার্যক্রম (তথ্যফাঁস) পরিচালিত করবে নাÑ যা দেশ ও জাতির ভাবমূর্তি ক্ষুণœ করে। তথ্যসেবা একেবারে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছে দেওয়াই হবে ডিডিএন এর প্রধান কর্ম। 

কার্যক্রমের সূচনা: কার্যক্রমের প্রাথমিক (পরীক্ষামূলক) অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশের রাজধানীকে (ঢাকা) বেছে নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক কর্মকাণ্ড ঢাকা কেন্দ্রিক হলেও ধীরে ধীরে দেশের স্থানীয় অঞ্চলগুলোকে প্রাধান্য দিয়ে কর্মকাণ্ড পরিচালিত হবে।

কার্যক্রমের স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ। বাংলাদেশ যেহেতু গ্রামভিত্তিক একটি রাষ্ট্র, সেহেতু গ্রামের প্রান্তিক মানুষের জীবন-দর্শনকে বিশেষ প্রাধান্য দিয়ে এই সংবাদ মাধ্যমে নানা কর্মকাণ্ড পরিচালিত হবে। এদেশের মানুষের ভাষা, সাহিত্য, সামাজিক অনুষ্ঠান ইত্যাদি বিষয়কে বিবেচনায় নিয়ে কর্মকাণ্ড পরিচালিত হবে।

উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা: আজকের বিশ্বে চরম বাস্তবতা হলো অর্থনৈতিক মন্দা। গত ১ দশকে বিশ্বের অনেক দেশের সুপ্রতিষ্ঠিত ও সুসংগঠিত অর্থনীতির ভিত্ত নড়ে গেছে। আর্থিকভাবে একেরাবে পঙ্গু হয়ে গেছে কিছু রাষ্ট্র। বাংলাদেশও এই বিশ্বের বাইরে নয়। বৈশ্বিক জলবায়ু পবিবর্তন, ক্ষুধা, দারিদ্র, অপরাধ, রাজনৈতিক অস্থিরতাসহ বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে কোনোভাবে বেঁচে আছে বাংলাদেশ। আর এই বেঁচে থাকাটুকুও সম্ভব হয়েছে দেশ- বিদেশে যুবকর্মসংস্থানের মাধ্যমে। এই হাজার অস্থিরতার মধ্যেও শিক্ষা, ¯^াস্থ্য, কৃষি, জ্বালানিসহ কিছু ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অগ্রগতি রয়েছে। এখন প্রয়োজন, দেশে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা। আর এই কাজ সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়। নানা সমস্যার মধ্যেও এ দেশের যুবসমাজের ছোট একটি অংশ আজ দেশ-বিদেশে কাজের ক্ষেত্র সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছে। তারা প্রযুক্তি ও জ্ঞানের সমš^য়ে অনেক দূর এগিয়ে গেছে। আর এরাই আমাদের অনুপ্রেরণা। হতাশা আর দারিদ্রকে জয় করে এই যুবসমাজই পাল্টে দিতে পারে দেশ তথা গোটা বিশ্বকে। 

সামাজিক দায়বদ্ধতা: সমাজের দর্পন হিসাবে তথ্যমাধ্যম কাজ করে বলেই সমাজ গঠন ও জনমত তৈরিতে এর ব্যাপক ভ‚মিকা রয়েছে। সামাজিক তথ্যমাধ্যম হিসাবে ডিডিএন তার দায়কে এড়াতে পারে না। দেশ ও মানুষের কল্যাণে সদা সচেষ্ট থাকবে এই সংগঠন।

গুরুত্ব: অগ্রসরমান বিশ্বে গণমাধ্যমের গুরুত্ব অপরিসীম। জনমত গঠনে এর ব্যাপক ভ‚মিকা রয়েছে। এর ইতিবাচক ও নেতিবাচক উভয় দিক থাকলেও দেশের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধির পেছনে পরোক্ষভাবে কাজ করে চলে গণমাধ্যম।    

সেবা:  তথ্যই মুক্তি তথ্যই জ্ঞান এবং জ্ঞানই শক্তিরূপে আর্বিভ‚ত হয়। তথ্য অধিকার নিশ্চিত করার সেবাই আমাদের পরমধর্ম।

অঙ্গ প্রতিষ্ঠান: ডিডিএন এর অঙ্গ প্রতিষ্ঠান হিসাবেÑডিডিএন ডিটেক্টিভ সেল, হিউম্যান রিচার্স সেন্টার, ই-বুক সাইট, জবস ইত্যাদি 

উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য:
একটি নির্দিষ্ট পরিসীমা নিয়ে গণমাধ্যম চালিত হবে। যার কেন্দ্রবিন্দু হবেѯ^াধীনতা, ¯^ার্বভৌমত্ব ও জাতীয়তা। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সমৃদ্ধ হয়ে দেশের মানুষের জন্য তথ্যসেবা নিশ্চিত করতে হবে। জ্ঞান-বিজ্ঞানের উৎকর্ষতার  উদ্দেশ্যে ‘তথ্যই মুক্তি-তথ্যই শক্তি’-এই ¯েøাগানে ব্যাপক কর্মপরিকল্পনা থাকবে। জাতি, দেশ, ইতিহাস ও সংস্কৃতির শিকড়ের নানা তথ্য তুলে ধরবে এই সংস্থা। 

নীতিমালা
সময়: তথ্যযোগাযোগের ক্ষেত্রে বর্তমান অগ্রসরমান বিশ্ব একটি হিরন্ময় অধ্যায় (তথ্যবিষ্ফোরণ) পাড় করছে। উন্নত দেশগুলো এই বিস্ফোরণের সঙ্গে তাল মেলাতে পারলেও তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলো এই প্রতিযোগিতায় অনেক পিছনে পড়ে রয়েছে। তথ্যযোগাযোগে বিশ্ব যখন একটি অধ্যায় শেষ করছে, বাংলাদেশ তখন এ ক্ষেত্রে সূচনা করছে মাত্র। বাংলাদেশে সার্বিকভাবে শিক্ষার হার/মান বাড়লেও নানা কারণে এ দেশের মানুষের মধ্যে তথ্যের বিস্তৃতী ঘটেনি। তথ্যবিমুখতার  কারণে জনগণ একদিকে তার রাজনৈতিক, আর্থিক অধিকারসহ যাবতীয় মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হচেছ, অন্যদিকে যুগযুগ ধরে দুর্নীতিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছে। দেশের ধারাবাহিক সরকারগুলিও তথ্যঅধিকার নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে। তারা নিজেদের ¯^ার্থের কারণে জনতাকে নির্বোধ করে রেখেছে। এর বিরূপ প্রভাব পড়েছেÑশিল্প, বাণিজ্য, জ্ঞান-বিজ্ঞানসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে। এই অবস্থানে একটি জাতীয় সংকট হিসাবে চিহ্নিত করা যায়। আর এই সংকট মোবাবিলা করতে পারে আজকের তরুনপ্রজন্ম। তাদের সাহসী পদক্ষেপ, পরিশ্রম আর মেধা অন্তত কিছুটা আলোকবর্তিকা ছড়াবে। জাতীয়তাবাদী চেতনায় প্রযুক্তির উৎকর্ষতা ঘটিয়ে, আধুনিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিকে সঠিকভাবে ব্যবহার করে তরুনরাই পারবে বিশ্বের সঙ্গে তাল মেলাতে।

ধর্ম নিরপেক্ষতা: ইতিহাস ও সংস্কৃতি চর্চার মাধ্যমে একটি জাতি তার হারানো গৌরব ও সঠিক নিশানা খুঁজে পেতে পারে। এগুলিকে উপেক্ষা করে কখনো নির্দিষ্ট লক্ষে পৌঁছানো যায় না। তাই নির্দিষ্ট কোনো ধর্ম, বর্ণ, আদিবাসী বা গোষ্ঠীর প্রভার মুক্ত থাকবে এই সংস্থা।

রাজনৈতিক প্রভাব: গণমাধ্যম রাজনীতির বাইরের কিছু নয়। তবে এটি একটি  ¯^াধীন-¯^ার্বভৌম জাতির সংবিধান ও জাতীয়তার রক্ষাকর্তা হিসাবে কাজ করবে। পাশাপাশি সংস্কৃতির ধারক-বাহক হিসাবে কোনো জাতির অবিভাবক হিসাবে কাজ করে এটি। এই সংস্থা কোনো রাজনৈতিক দল, ব্যক্তি বা সংস্থার মুখপত্র হিসাবে গৃহীত হবে না। তবে জাতীয় গণমাধ্যম নীতিমালার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে বাণিজ্যিক ও সেবামূলক বিষয়ে বিজ্ঞাপন-বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবে। 

লক্ষ্যের নীতি: নির্দিষ্ট লক্ষে পৌঁছানোর উদ্দেশ্যে এই সংস্থা অবিচল থাকবে। কোনো বাধাবিপত্তি থাকলেও সাংবিধানিক ও আইনি উপায়ে তার প্রতিরোধ করবে। দেশের প্রচলিত আইন ও সাংবিধানিক কাঠামো মোতাবেক
 
দক্ষতার নীতি: একটি দেশের সার্বিক উন্নতির জন্য প্রয়োজন দক্ষ জনগোষ্ঠী, তেমনি একটি প্রতিষ্ঠানের সমৃদ্ধির
    শ্রম বিভাজনের নীতি:
    কাম্য পরিসর নির্নয়ের নীতি
    জোড়া-মই-শিকলের নীতি
    দায়িত্ব নির্দিষ্টকরণের নীতি
    কর্তৃত্ব ও দায়িত্বের সমতার নীতি
    আদেশের ঐক্যের নীতি
    সারল্য ও সুস্পষ্টতার নীতি
    ভারসম্যের নীতি
    নমনীয়তার নীতি
    নেতৃত্বের নীতি
    ব্যতিক্রম নীতি
    বিশেষায়নের নীতি
    শৃক্সখলা ও নিয়মানুবর্তিতার নীতি

সুযোগ ও সম্ভাবনা

কার্জনির্বাহী পরিষদ এবং এর নীতিমালা

বর্তমান বাজার এবং বাজার বিশ্লেষন
যেহেতু মানুষ দলবদ্ধভাবে বসবাস করে সেহেতু সেই দলের মানুষগুলোর কিছু প্রয়োজন আছে যা সার্বজনিন এবং সেই প্রয়োজন পূরনের জন্য দলের অন্য মানুগুলোকে মিলিত হতে হয় কোন একটি স্থানে, কালের বিবর্তনে যা হয়ে ওঠে বাজার। অগোনিত মানুষের এই পৃথিবীতে দৈনন্দিন জীবন যাপনে তাদের চাহিদা অসীম এবং সময়ের সাথে তা পরিবর্তনশীলও। জ্ঞান বিজ্ঞানের জয়ো রথে চেপে মানুষ হয়ে উঠেছে এখন আরো আধুনিক এবং শৈল্পীক। এই আধুনিক মানুষের জীবন যাপনের গড়ন এবং ধরনে আমূল পরিবর্তন এনেছে ‘তার’ ‘বেতার’-এ অদ্ভ‚ত এক যোগাযোগ ব্যবস্থা যার সাহায্যে ভগ্নাংশেরও কম সময়ে এক বা একাধিক ব্যক্তির মাঝে সংযোগ স্থাপন শুধুমাত্র ইচ্ছেরই প্রকাশ মাত্র। সময় পরিবর্তনের ধারায় স্থানভেদে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন ধরনের বাজার। দৃশ্যমান বাজারের পাশাপাশি মানুষ এখন আরও একটা বাজার গড়ে তুলেছে যা অদৃশ্য; অদ্ভ‚ত শোনলেও ব্যপারটা ধ্রƒব সত্য এবং একথা বলাই বাহুল্য যে এ বাজারে দিনান্তে ক্রেতার সংখ্যা এতই বাড়ছে যে ধারনা করা হয় বাংলাদেশের মত উন্নশীল দেশে আজ থেকে আগামী কয়েক বছরের মধ্যে উন্নত দেশগুলোর মত মানুষ সম্পূর্নভাবে নির্ভরশীল হয়ে পরবে এই অদৃশ্য বাজারে, কেননা সাধ এবং সাধ্যে মধ্যে ক্রেতার যাবতীয় চাহিদা যদি ঘরে বসেই পূরন হয় তবে কেনইবা কেউ জ্যমে জটে ঘামে ভিজে ছুটতে যাবে দূর থেকে দূরান্তে। 

নেতিবাচক দিকসমূহ
যে কোন উদ্যোগের কিছু নেতিবাচক দিক থাকে যা অতিক্রম করেই অর্জন করতে হয় সাফল্য। শুরুটা কঠিন হলেও দৃঢ় মনোবল, অদোম্য ইচ্ছা আর নির্ভূল পরিকল্পনা এনে দিতে পারে সফলতা। সর্ব ক্ষেত্রেই প্রতিযোগীতায় টিকে থাকার লড়াই পেরিয়ে সকলেই যেখানে চায় বিজয়ী হতে সেই সময়ে সকল নেতিবচক বিষয়গুলোকে সুদক্ষ কৌশলে কর্ম এবং দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে ছিনিয়ে আনা সম্ভব জয়ের রাজ টীকা। আমরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।

সীমাবদ্ধতা
মানুষ যতই উন্নতির চরম শিখরেই অবস্থান করুক না কেন কিছু সীমাবদ্ধতা সে কখনোই অতিক্রম করতে পারে না, তেমনিভাবে আমাদেরও কিছু সীমাবদ্ধতা আছে এবং থাকবে। তবুও আমরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ সকল বাধা পেরিয়ে সত্য এবং বাস্তব চিত্র তুলে ধরতে চাই দেশের সীমানা বিশ্ব দরবারে। কর্ম এবং দক্ষতার সুদক্ষ কৌশল এবং যোগ্য নেতৃত্বের  সুসমš^য় ঘটলে সকল সীমাবদ্বতা অতিক্রম করা যে সম্ভব তার উদাহনের কোন কমতি নাই। 
ব্যবসায়ীক ঝুঁকি
ব্যবসা মানেই ঝুঁকি, কেননা পার্থিব সকল ব্যবসাতেই লাভের বিপরীতে থাকে লোকসান হবার ভয়; লাভ লোকসান ব্যপারটা ঠিক যেন মুদ্রার এপিঠ আর ওপিঠ, তাই সকল ব্যবসাতেই যেমন লক্ষ্য থাকে মুনাফা অর্জন তেমনি প্রস্তুত থাকতে হয় যে কোন ধরনের ঝুঁকি মোকাবেলার। এক্ষেত্রে বিপর্যয়ের সম্ভবনা আছে বলে কোন উদ্যোগ থেমে যাবে এমনটা হলে আজকের এই উন্নত পৃথিবী আমার কল্পনাও করতে পারতাম না, আর যে সকল ক্ষেত্রে ঝুঁকির পরিমান যত বেশি সেখানে অর্জনও বেশি এটাই ¯^ভাবিক;
অর্থনৈতিক ঝুঁকি
নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি

সামাজিক দায়িত্ববোধ

প্রাযুক্তিক এবং সামাজিক পরিবর্তন
    ব্যাপক উৎপাদনশীলতা
    কর্মদক্ষতার আধুনিকায়ন
    বিজ্ঞানমনোষ্ক এবং পেশাদার কর্মকর্তা কর্মচারিবৃন্দ
    বিকেন্দ্রীকরণ
    ক্রেতার চাহিদা
    সামাজিক ব্যায়

আন্তর্জাতিক বানিজ্য

বিপনন কৌশল

বিপনন পরিকল্পনা

ভোক্তা সমš^য় এবং প্রচারনা

গণসংযোগ

বিজ্ঞাপন
Newer Post
Previous
This is the last post.

0 comments:

Post a Comment

 
Toggle Footer
Top